#446967
✓ যাচাইকৃত ও প্রকাশিত
❌ ফেরত দেওয়া হয়নি
Bangladesh Railway
প্রকাশের তারিখ
September 16, 2026
দাবিকৃত ঘুষ
৳১০ কোটি টাকা
অবস্থা: paid
ভৌগোলিক অবস্থান
ঢাকা
দেশ: Bangladesh
Incident Description
দ্বিতীয় শ্রেণির কর্মচারী, বিলাসবহুল ল্যান্ডক্রুজারে অফিস! রেলের লুৎফা বেগমের সম্পদ ও প্রভাব নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন
২৩ বছর একই দপ্তরে চাকরি; নিয়োগ-বদলি-পেনশন ফাইলে প্রভাবের অভিযোগ—চাকরিজীবনে প্রায় ১০০ কোটি টাকার ঘুষ গ্রহণের অভিযোগও তদন্তের দাবি
Ghushkhor.com অনুসন্ধান
বাংলাদেশ রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের প্রধান সংস্থাপন কর্মকর্তার (সিপিও) কার্যালয়ের একজন দ্বিতীয় শ্রেণির কর্মচারী। অথচ অফিসে যাতায়াত করেন তিন হাজার সিসির বিলাসবহুল টয়োটা ল্যান্ডক্রুজার ডাবল কেবিন পিকআপে—এমন তথ্য সামনে আসার পর রেলওয়ের কর্মচারী লুৎফা বেগমের আয়, সম্পদ, দীর্ঘদিনের প্রভাব এবং সরকারি সুযোগ-সুবিধা ব্যবহারের বৈধতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে।
রেলওয়ের নথির বরাতে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০০৪ সালে সিপিও (পূর্ব) কার্যালয়ে যোগদানের পর ২০২৬ সাল পর্যন্ত প্রায় ২৩ বছর একই দপ্তরে কর্মরত রয়েছেন তিনি।
একই দপ্তরে এত দীর্ঘ সময় অবস্থান কীভাবে সম্ভব হলো—এ প্রশ্ন এখন রেলওয়ের ভেতরেই উঠছে।
🔥 ২৩ বছর একই দপ্তরে—কীভাবে তৈরি হলো এত প্রভাব?
অভিযোগ রয়েছে, দীর্ঘদিন একই কার্যালয়ে থাকার সুযোগে লুৎফা বেগম সেখানে একটি শক্তিশালী প্রভাববলয় তৈরি করেছেন।
বদলি, নিয়োগ, পেনশন, সাময়িক বরখাস্তসংক্রান্ত ফাইল, মুক্তিযোদ্ধা কোটা এবং টিএলআর নিয়োগসহ বিভিন্ন প্রশাসনিক প্রক্রিয়ায় তার প্রভাব থাকার অভিযোগ রয়েছে।
এই অভিযোগগুলো সত্য হলে প্রশ্ন ওঠে—একজন দ্বিতীয় শ্রেণির কর্মচারীর হাতে এত প্রশাসনিক প্রভাব কীভাবে তৈরি হলো?
কারা তাকে এই ক্ষমতা প্রয়োগের সুযোগ দিয়েছেন? কোন কোন ফাইল তার মাধ্যমে পরিচালিত হয়েছে? কোনো সিদ্ধান্তের বিনিময়ে অর্থ বা অন্য সুবিধা নেওয়া হয়েছে কি না?
এই প্রশ্নগুলোর উত্তর বের করতে গত ২৩ বছরের গুরুত্বপূর্ণ ফাইল ও সিদ্ধান্তের একটি স্বাধীন অডিট প্রয়োজন।
💰 চাকরিজীবনে ‘প্রায় ১০০ কোটি টাকার ঘুষ’—গুরুতর অভিযোগ, প্রমাণ চাই
লুৎফা বেগমকে ঘিরে আরও গুরুতর অভিযোগ হিসেবে দাবি করা হচ্ছে, দীর্ঘ চাকরিজীবনে নিয়োগ, বদলি, পেনশন ও অন্যান্য প্রশাসনিক কার্যক্রমকে কেন্দ্র করে কথিত ঘুষের পরিমাণ প্রায় ১০০ কোটি টাকা পর্যন্ত হতে পারে।
এটি অত্যন্ত বড় অভিযোগ।
Ghushkhor.com এই ১০০ কোটি টাকার অঙ্ককে প্রমাণিত তথ্য হিসেবে উপস্থাপন করছে না।
বরং এই দাবির পক্ষে সুনির্দিষ্ট প্রমাণ থাকলে তা তদন্তের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছে।
১০০ কোটি টাকার অভিযোগ হলে—১০০ কোটি টাকার হিসাবও খুঁজতে হবে।
কে টাকা দিয়েছেন?
কখন দিয়েছেন?
কোন কাজের জন্য দিয়েছেন?
কোন কর্মকর্তা বা মধ্যস্থতাকারীর মাধ্যমে দিয়েছেন?
নগদ নাকি ব্যাংক/ডিজিটাল মাধ্যমে?
এই অর্থের কোনো অংশ দিয়ে সম্পদ অর্জিত হয়েছে কি না?
এসব প্রশ্নের উত্তর —প্রমাণ, নথি ও আর্থিক অনুসন্ধানের মাধ্যমে বের করতে হবে।
🏠 বেতনের সঙ্গে সম্পদের সামঞ্জস্য আছে কি?
তথ্য অনুযায়ী, লুৎফা বেগম ও তার পরিবারের নামে একাধিক সম্পত্তি থাকার অভিযোগ রয়েছে।
এর মধ্যে চট্টগ্রামের হালিশহরের কৃষ্ণচূড়া অ্যাপার্টমেন্টে দুটি ফ্ল্যাট, নালাপাড়াসহ চট্টগ্রামের বিভিন্ন স্থানে সম্পত্তি, ঢাকায় বাড়ি এবং গ্রামের বাড়িতে উল্লেখযোগ্য সম্পদের কথা বলা হচ্ছে।
এই সম্পদগুলোর মালিকানা ও মূল্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা প্রয়োজন।
প্রশ্ন খুব সরল:
বৈধ চাকরির আয় কত?
মোট ঘোষিত সম্পদ কত?
সম্পদ কেনার অর্থের উৎস কী?
আয় ও সম্পদের মধ্যে সামঞ্জস্য আছে কি?
বৈধ আয়ে অর্জিত সম্পদ নিয়ে প্রশ্ন থাকার কথা নয়। কিন্তু যদি তদন্তে বৈধ আয়ের সঙ্গে সম্পদের বড় ধরনের অসঙ্গতি পাওয়া যায়, তাহলে সেই সম্পদের অর্থের উৎস অনুসন্ধান করা প্রয়োজন।
🚙 দ্বিতীয় শ্রেণির কর্মচারীর যাতায়াতে সরকারি ল্যান্ডক্রুজার কেন?
আলোচনার আরেকটি বড় বিষয় টয়োটা ল্যান্ডক্রুজার পিকআপ (ঢাকা মেট্রো-ঠ-১১-৩৫৪৪)।
তথ্যানুযায়ী, বিআরটিএ রেকর্ডে গাড়িটির মালিক হিসেবে ঢাকা সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলীর কার্যালয়ের তথ্য রয়েছে।
লুৎফা বেগমের স্বামী রফিকুল ইসলাম সওজে কর্মরত এবং তিনি গণমাধ্যমে দাবি করেছেন, গাড়িটি তার নামে বরাদ্দ; অফিসের কাজ শেষে সুযোগ থাকলে স্ত্রীকে আনা-নেওয়ায় ব্যবহার করেন।
অন্যদিকে সংশ্লিষ্ট সওজ কর্মকর্তার বক্তব্য অনুযায়ী, এ ধরনের গাড়ি ব্যবহারের ক্ষেত্রে পদ ও পুল-ব্যবস্থার নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে।ফলে প্রশ্ন থেকেই যায়—
এক সরকারি দপ্তরের গাড়ি অন্য দপ্তরের একজন কর্মচারীর ব্যক্তিগত অফিস যাতায়াতে ব্যবহার করা নিয়মসঙ্গত কি না?
এটি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নথি ও গাড়ির লগবুক পরীক্ষা করলেই অনেকাংশে পরিষ্কার করা সম্ভব। শুধু লুৎফা নয়—পুরো নেটওয়ার্ক খুঁজুন
২৩ বছর ধরে একই জায়গায় থেকে যদি কেউ নিয়োগ, বদলি, পেনশন বা গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক ফাইলে অবৈধ প্রভাব বিস্তার করে থাকেন, তাহলে তিনি একা কীভাবে সেটি করেছেন—এই প্রশ্নও গুরুত্বপূর্ণ।
তাই সম্ভাব্য তদন্তে শুধু একজন কর্মচারী নয়, তার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, মধ্যস্থতাকারী এবং সম্ভাব্য আর্থিক সুবিধাভোগীদের ভূমিকাও প্রমাণের ভিত্তিতে পরীক্ষা করা প্রয়োজন।
🔎 Ghushkhor.com-এর দাবি—২৩ বছরের সম্পদ ও অর্থের পথ অনুসন্ধান হোক
দুর্নীতি দমন কমিশনসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আইন অনুযায়ী তদন্ত করলে গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে—
বৈধ আয় বনাম অর্জিত সম্পদ → সম্পত্তির ক্রয়মূল্য ও অর্থের উৎস → গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক ফাইল → সরকারি গাড়ির লগবুক ও বরাদ্দ → অভিযোগে উল্লিখিত লেনদেন → সম্ভাব্য মধ্যস্থতাকারী → প্রমাণিত হলে অবৈধ সম্পদের প্রকৃত সুবিধাভোগী।
কোনো সম্পদ কেবল পরিবারের সদস্যের নামে থাকার কারণে সেটিকে অবৈধ বলা যায় না। মালিকানা, অর্থের উৎস এবং প্রকৃত সুবিধাভোগিতা প্রমাণের বিষয়। রেলের ঘুষের প্রমাণ আপনার কাছে আছে?
লুৎফা বেগম বা সংশ্লিষ্ট কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে নিয়োগ, বদলি, পেনশন, ফাইল ছাড়, পদোন্নতি বা অন্য কোনো কাজে ঘুষ দাবির প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা থাকলে অভিযোগের সঙ্গে প্রমাণ সংরক্ষণ করুন।
তারিখ • ফাইল নম্বর • কী কাজ • কত টাকা দাবি • কে দাবি করেছে • কার মাধ্যমে টাকা গেছে • আইনসম্মতভাবে সংরক্ষিত নথি/বার্তা/লেনদেনের তথ্য
🔴 ২৩ বছরের চাকরি—২৩ বছরের হিসাব চাই।
১০০ কোটি টাকার ঘুষের অভিযোগ? প্রমাণ সামনে আসুক।
সম্পদের উৎস কী? তদন্ত হোক।
সরকারি গাড়ি কেন ব্যক্তিগত যাতায়াতে? হিসাব হোক।
ঘুষের টাকা থাকলে কোথায় গেছে? অর্থের পথ অনুসন্ধান হোক।
ঘুষখোর কে—সেটা স্লোগান নয়, প্রমাণ নির্ধারণ করুক।
দুর্নীতি প্রমাণিত হলে অবৈধ সম্পদ উদ্ধার ও আইনানুগ শাস্তি হোক।
এখানে উল্লিখিত ঘুষ, ১০০ কোটি টাকার অঙ্ক, সম্পদ ও প্রভাবসংক্রান্ত বিষয়গুলো অভিযোগ হিসেবে উপস্থাপিত। উপযুক্ত তদন্ত বা বিচারিক প্রক্রিয়ায় প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে দোষী হিসেবে চূড়ান্তভাবে উপস্থাপন করা উচিত নয়। তার পূর্ণ বক্তব্য, সম্পদের বৈধ উৎসের নথি বা তদন্তকারী কর্তৃপক্ষের ফলাফল পাওয়া গেলে প্রতিবেদনে তা যথাযথভাবে অন্তর্ভুক্ত করা উচিত।
২৩ বছর একই দপ্তরে চাকরি; নিয়োগ-বদলি-পেনশন ফাইলে প্রভাবের অভিযোগ—চাকরিজীবনে প্রায় ১০০ কোটি টাকার ঘুষ গ্রহণের অভিযোগও তদন্তের দাবি
Ghushkhor.com অনুসন্ধান
বাংলাদেশ রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের প্রধান সংস্থাপন কর্মকর্তার (সিপিও) কার্যালয়ের একজন দ্বিতীয় শ্রেণির কর্মচারী। অথচ অফিসে যাতায়াত করেন তিন হাজার সিসির বিলাসবহুল টয়োটা ল্যান্ডক্রুজার ডাবল কেবিন পিকআপে—এমন তথ্য সামনে আসার পর রেলওয়ের কর্মচারী লুৎফা বেগমের আয়, সম্পদ, দীর্ঘদিনের প্রভাব এবং সরকারি সুযোগ-সুবিধা ব্যবহারের বৈধতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে।
রেলওয়ের নথির বরাতে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০০৪ সালে সিপিও (পূর্ব) কার্যালয়ে যোগদানের পর ২০২৬ সাল পর্যন্ত প্রায় ২৩ বছর একই দপ্তরে কর্মরত রয়েছেন তিনি।
একই দপ্তরে এত দীর্ঘ সময় অবস্থান কীভাবে সম্ভব হলো—এ প্রশ্ন এখন রেলওয়ের ভেতরেই উঠছে।
🔥 ২৩ বছর একই দপ্তরে—কীভাবে তৈরি হলো এত প্রভাব?
অভিযোগ রয়েছে, দীর্ঘদিন একই কার্যালয়ে থাকার সুযোগে লুৎফা বেগম সেখানে একটি শক্তিশালী প্রভাববলয় তৈরি করেছেন।
বদলি, নিয়োগ, পেনশন, সাময়িক বরখাস্তসংক্রান্ত ফাইল, মুক্তিযোদ্ধা কোটা এবং টিএলআর নিয়োগসহ বিভিন্ন প্রশাসনিক প্রক্রিয়ায় তার প্রভাব থাকার অভিযোগ রয়েছে।
এই অভিযোগগুলো সত্য হলে প্রশ্ন ওঠে—একজন দ্বিতীয় শ্রেণির কর্মচারীর হাতে এত প্রশাসনিক প্রভাব কীভাবে তৈরি হলো?
কারা তাকে এই ক্ষমতা প্রয়োগের সুযোগ দিয়েছেন? কোন কোন ফাইল তার মাধ্যমে পরিচালিত হয়েছে? কোনো সিদ্ধান্তের বিনিময়ে অর্থ বা অন্য সুবিধা নেওয়া হয়েছে কি না?
এই প্রশ্নগুলোর উত্তর বের করতে গত ২৩ বছরের গুরুত্বপূর্ণ ফাইল ও সিদ্ধান্তের একটি স্বাধীন অডিট প্রয়োজন।
💰 চাকরিজীবনে ‘প্রায় ১০০ কোটি টাকার ঘুষ’—গুরুতর অভিযোগ, প্রমাণ চাই
লুৎফা বেগমকে ঘিরে আরও গুরুতর অভিযোগ হিসেবে দাবি করা হচ্ছে, দীর্ঘ চাকরিজীবনে নিয়োগ, বদলি, পেনশন ও অন্যান্য প্রশাসনিক কার্যক্রমকে কেন্দ্র করে কথিত ঘুষের পরিমাণ প্রায় ১০০ কোটি টাকা পর্যন্ত হতে পারে।
এটি অত্যন্ত বড় অভিযোগ।
Ghushkhor.com এই ১০০ কোটি টাকার অঙ্ককে প্রমাণিত তথ্য হিসেবে উপস্থাপন করছে না।
বরং এই দাবির পক্ষে সুনির্দিষ্ট প্রমাণ থাকলে তা তদন্তের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছে।
১০০ কোটি টাকার অভিযোগ হলে—১০০ কোটি টাকার হিসাবও খুঁজতে হবে।
কে টাকা দিয়েছেন?
কখন দিয়েছেন?
কোন কাজের জন্য দিয়েছেন?
কোন কর্মকর্তা বা মধ্যস্থতাকারীর মাধ্যমে দিয়েছেন?
নগদ নাকি ব্যাংক/ডিজিটাল মাধ্যমে?
এই অর্থের কোনো অংশ দিয়ে সম্পদ অর্জিত হয়েছে কি না?
এসব প্রশ্নের উত্তর —প্রমাণ, নথি ও আর্থিক অনুসন্ধানের মাধ্যমে বের করতে হবে।
🏠 বেতনের সঙ্গে সম্পদের সামঞ্জস্য আছে কি?
তথ্য অনুযায়ী, লুৎফা বেগম ও তার পরিবারের নামে একাধিক সম্পত্তি থাকার অভিযোগ রয়েছে।
এর মধ্যে চট্টগ্রামের হালিশহরের কৃষ্ণচূড়া অ্যাপার্টমেন্টে দুটি ফ্ল্যাট, নালাপাড়াসহ চট্টগ্রামের বিভিন্ন স্থানে সম্পত্তি, ঢাকায় বাড়ি এবং গ্রামের বাড়িতে উল্লেখযোগ্য সম্পদের কথা বলা হচ্ছে।
এই সম্পদগুলোর মালিকানা ও মূল্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা প্রয়োজন।
প্রশ্ন খুব সরল:
বৈধ চাকরির আয় কত?
মোট ঘোষিত সম্পদ কত?
সম্পদ কেনার অর্থের উৎস কী?
আয় ও সম্পদের মধ্যে সামঞ্জস্য আছে কি?
বৈধ আয়ে অর্জিত সম্পদ নিয়ে প্রশ্ন থাকার কথা নয়। কিন্তু যদি তদন্তে বৈধ আয়ের সঙ্গে সম্পদের বড় ধরনের অসঙ্গতি পাওয়া যায়, তাহলে সেই সম্পদের অর্থের উৎস অনুসন্ধান করা প্রয়োজন।
🚙 দ্বিতীয় শ্রেণির কর্মচারীর যাতায়াতে সরকারি ল্যান্ডক্রুজার কেন?
আলোচনার আরেকটি বড় বিষয় টয়োটা ল্যান্ডক্রুজার পিকআপ (ঢাকা মেট্রো-ঠ-১১-৩৫৪৪)।
তথ্যানুযায়ী, বিআরটিএ রেকর্ডে গাড়িটির মালিক হিসেবে ঢাকা সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলীর কার্যালয়ের তথ্য রয়েছে।
লুৎফা বেগমের স্বামী রফিকুল ইসলাম সওজে কর্মরত এবং তিনি গণমাধ্যমে দাবি করেছেন, গাড়িটি তার নামে বরাদ্দ; অফিসের কাজ শেষে সুযোগ থাকলে স্ত্রীকে আনা-নেওয়ায় ব্যবহার করেন।
অন্যদিকে সংশ্লিষ্ট সওজ কর্মকর্তার বক্তব্য অনুযায়ী, এ ধরনের গাড়ি ব্যবহারের ক্ষেত্রে পদ ও পুল-ব্যবস্থার নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে।ফলে প্রশ্ন থেকেই যায়—
এক সরকারি দপ্তরের গাড়ি অন্য দপ্তরের একজন কর্মচারীর ব্যক্তিগত অফিস যাতায়াতে ব্যবহার করা নিয়মসঙ্গত কি না?
এটি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নথি ও গাড়ির লগবুক পরীক্ষা করলেই অনেকাংশে পরিষ্কার করা সম্ভব। শুধু লুৎফা নয়—পুরো নেটওয়ার্ক খুঁজুন
২৩ বছর ধরে একই জায়গায় থেকে যদি কেউ নিয়োগ, বদলি, পেনশন বা গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক ফাইলে অবৈধ প্রভাব বিস্তার করে থাকেন, তাহলে তিনি একা কীভাবে সেটি করেছেন—এই প্রশ্নও গুরুত্বপূর্ণ।
তাই সম্ভাব্য তদন্তে শুধু একজন কর্মচারী নয়, তার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, মধ্যস্থতাকারী এবং সম্ভাব্য আর্থিক সুবিধাভোগীদের ভূমিকাও প্রমাণের ভিত্তিতে পরীক্ষা করা প্রয়োজন।
🔎 Ghushkhor.com-এর দাবি—২৩ বছরের সম্পদ ও অর্থের পথ অনুসন্ধান হোক
দুর্নীতি দমন কমিশনসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আইন অনুযায়ী তদন্ত করলে গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে—
বৈধ আয় বনাম অর্জিত সম্পদ → সম্পত্তির ক্রয়মূল্য ও অর্থের উৎস → গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক ফাইল → সরকারি গাড়ির লগবুক ও বরাদ্দ → অভিযোগে উল্লিখিত লেনদেন → সম্ভাব্য মধ্যস্থতাকারী → প্রমাণিত হলে অবৈধ সম্পদের প্রকৃত সুবিধাভোগী।
কোনো সম্পদ কেবল পরিবারের সদস্যের নামে থাকার কারণে সেটিকে অবৈধ বলা যায় না। মালিকানা, অর্থের উৎস এবং প্রকৃত সুবিধাভোগিতা প্রমাণের বিষয়। রেলের ঘুষের প্রমাণ আপনার কাছে আছে?
লুৎফা বেগম বা সংশ্লিষ্ট কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে নিয়োগ, বদলি, পেনশন, ফাইল ছাড়, পদোন্নতি বা অন্য কোনো কাজে ঘুষ দাবির প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা থাকলে অভিযোগের সঙ্গে প্রমাণ সংরক্ষণ করুন।
তারিখ • ফাইল নম্বর • কী কাজ • কত টাকা দাবি • কে দাবি করেছে • কার মাধ্যমে টাকা গেছে • আইনসম্মতভাবে সংরক্ষিত নথি/বার্তা/লেনদেনের তথ্য
🔴 ২৩ বছরের চাকরি—২৩ বছরের হিসাব চাই।
১০০ কোটি টাকার ঘুষের অভিযোগ? প্রমাণ সামনে আসুক।
সম্পদের উৎস কী? তদন্ত হোক।
সরকারি গাড়ি কেন ব্যক্তিগত যাতায়াতে? হিসাব হোক।
ঘুষের টাকা থাকলে কোথায় গেছে? অর্থের পথ অনুসন্ধান হোক।
ঘুষখোর কে—সেটা স্লোগান নয়, প্রমাণ নির্ধারণ করুক।
দুর্নীতি প্রমাণিত হলে অবৈধ সম্পদ উদ্ধার ও আইনানুগ শাস্তি হোক।
এখানে উল্লিখিত ঘুষ, ১০০ কোটি টাকার অঙ্ক, সম্পদ ও প্রভাবসংক্রান্ত বিষয়গুলো অভিযোগ হিসেবে উপস্থাপিত। উপযুক্ত তদন্ত বা বিচারিক প্রক্রিয়ায় প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে দোষী হিসেবে চূড়ান্তভাবে উপস্থাপন করা উচিত নয়। তার পূর্ণ বক্তব্য, সম্পদের বৈধ উৎসের নথি বা তদন্তকারী কর্তৃপক্ষের ফলাফল পাওয়া গেলে প্রতিবেদনে তা যথাযথভাবে অন্তর্ভুক্ত করা উচিত।