GHushkhor.com
Civic-Tech Transparency System

প্রকাশ করুন স্পিড মানি

সরকারি পরিসেবায় অনানুষ্ঠানিক খরচ এবং স্পিড মানির দাবি প্রকাশ করা। প্রতিটি প্রতিবেদন প্রাতিষ্ঠানিক স্বচ্ছতার দিকে একটি পদক্ষেপ।

🔍

আঞ্চলিক সততা সূচক

সক্রিয় বিভাগ অনুযায়ী স্পিড মানির অনুরোধ এবং মামলা বিতরণের সামগ্রিক পরিমাণ।

Interactive Directory
নজরদারিকৃত জেলা ২ জেলা
জমা হওয়া অভিযোগ
দাবিকৃত স্পিড মানি ৳৩৫.০৬ কোটি
যাচাইকৃত মামলা
Total Refunded Money ৳০

01

Dhaka

Active Reports
দাবিকৃত স্পিড মানি ৳১০.০৩ কোটি
Activity Ratio ১০০%
02

Chattogram

Active Reports
দাবিকৃত স্পিড মানি ৳২৫.০৩ কোটি
Activity Ratio ১০০%
03

Sylhet

Active Reports
দাবিকৃত স্পিড মানি ৳০
Activity Ratio ০%
04

Rajshahi

Active Reports
দাবিকৃত স্পিড মানি ৳০
Activity Ratio ০%
05

Khulna

Active Reports
দাবিকৃত স্পিড মানি ৳০
Activity Ratio ০%
06

Barishal

Active Reports
দাবিকৃত স্পিড মানি ৳০
Activity Ratio ০%
07

Rangpur

Active Reports
দাবিকৃত স্পিড মানি ৳০
Activity Ratio ০%
08

Mymensingh

Active Reports
দাবিকৃত স্পিড মানি ৳০
Activity Ratio ০%

লাইভ পাবলিক অ্যাক্টিভিটি ফিড

জনসাধারণের দ্বারা জমা দেওয়া রিয়েল-টাইম, কাঁচা ক্রাউডসোর্সড প্রতিবেদন। এই জমাগুলি বর্তমানে অযাচাইকৃত।

Case ID Office / Department District / Division দাবিকৃত স্পিড মানি Status
No active complaints registered in the public system.

যাচাইকৃত স্পিড মানির ঘটনা

Legally reviewed and published case files confirming active speed money demands.

#980617
✓ Verified ❌ Not Refunded

National Security Intelligence (NSI)

জেলা: Dhaka

নেপালে বাংলাদেশ দূতাবাসের কনস্যুলার কর্মকর্তা সৈয়দ হোসেনের বিরুদ্ধে ঘুষ অভিযোগ ঘুষ, হুমকি, ব্যবসা ক্ষতিগ্রস্ত করা, গোপন তথ্য সংগ্রহ, নারী পাচারে সহায়তা ও অর্থপাচারের অভিযোগ—ভিডিও, বক্তব্য ও CCTV ফুটেজ প্রকাশের দাবি; পূর্ণাঙ্গ রাষ্ট্রীয় তদন্ত চায় Ghushkhor.com Ghushkhor.com বিশেষ অনুসন্ধান নেপালের কাঠমান্ডুতে বাংলাদেশ দূতাবাসে দায়িত্ব পালনরত Mohammad Syed Hossain-কে বাংলাদেশ সরকারের সরকারি ওয়েবসাইটে বর্তমানে Counsellor (L) (Consular) হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। সরকারি রেকর্ডে তার কনস্যুলার দায়িত্বের বিষয়টি নিশ্চিত করা যায়।তার বিরুদ্ধে এখন একাধিক অত্যন্ত গুরুতর অভিযোগ তুলে Ghushkhor.com-এর কাছে ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন উপকরণ প্রকাশিত হয়েছে বলে অভিযোগকারীরা জানিয়েছেন।অভিযোগকারীদের বক্তব্য অনুযায়ী, প্রকাশিত উপকরণের মধ্যে রয়েছে ভিডিও, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বক্তব্য এবং CCTV ক্যামেরার ফুটেজ। Ghushkhor.com-এর দাবি খুব পরিষ্কার: ভিডিও আছে ফরেনসিক পরীক্ষা করুন। CCTV আছে মূল ফুটেজ সংগ্রহ করুন। আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ আছে টাকার পথ অনুসরণ করুন। হুমকির অভিযোগ আছে যোগাযোগ ও সাক্ষ্য যাচাই করুন। ২০২৫ সালের ঘুষের ঘটনা—কী ঘটেছিল? অভিযোগকারীদের দাবি, ২০২৫ সালে সৈয়দ হোসেনকে ঘিরে একটি ঘুষসংক্রান্ত ঘটনা সামনে আসে এবং পরবর্তী সময়ে গুলশানের Honeymoon Group-এর একটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ঘুষের অর্থ ফেরত দেওয়া নিয়ে যোগাযোগ হয়।অভিযোগ অনুযায়ী, অর্থ ফেরতের পরিবর্তে প্রতিষ্ঠানটিকে বাংলাদেশে ব্যবসা করতে না দেওয়া এবং ব্যবসা ক্ষতিগ্রস্ত করার হুমকি দেওয়া হয়েছিল।এই অভিযোগ শুধু ঘুষের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না। রাষ্ট্রীয় পদমর্যাদা বা প্রভাব ব্যবহার করে কোনো ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের ওপর প্রতিশোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা হয়েছিল সেটিও তদন্তের বিষয় হয়ে দাঁড়ায়। ভিডিও + বক্তব্য + CCTV— অভিযোগকারীরা জানিয়েছেন, সংশ্লিষ্ট ঘটনার ভিডিও, বক্তব্য এবং CCTV ফুটেজ ইতোমধ্যে প্রকাশ করা হয়েছে। বাংলাদেশ–নেপাল–চীন নারী পাচার রুটের অভিযোগ সবচেয়ে ভয়াবহ অভিযোগটি নারী পাচারকে কেন্দ্র করে।অভিযোগকারীদের দাবি, বাংলাদেশ থেকে নেপাল হয়ে চীনে যাওয়া নারীদের একটি অংশের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ দূতাবাসের কনস্যুলার প্রক্রিয়া বা নথি ব্যবহার করে সহায়তা করা হতো এবং এর বিনিময়ে জনপ্রতি প্রায় এক লাখ টাকা নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।আরও দাবি করা হয়েছে, এর সঙ্গে বিপুলসংখ্যক নারী জড়িত থাকতে পারেন।এ ধরনের অভিযোগ এটি সাধারণ প্রশাসনিক দুর্নীতির বিষয় নয়—এটি সম্ভাব্য আন্তঃদেশীয় মানবপাচার নেটওয়ার্কের প্রশ্ন। তাই তদন্ত হওয়া উচিত: বাংলাদেশ → নেপাল → চীন এই পুরো রুট ধরে।কারা বাংলাদেশে নারী সংগ্রহ করেছে, কারা নেপালে গ্রহণ করেছে, কী ধরনের কনস্যুলার নথি দেওয়া হয়েছে, কার অনুমোদনে দেওয়া হয়েছে, চীনে কারা গ্রহণ করেছে এবং অর্থ কোথায় গেছে—প্রতিটি ধাপ অনুসন্ধান করা প্রয়োজন। নেপালকে অর্থপাচারের চ্যানেল হিসেবে ব্যবহারের অভিযোগ সৈয়দ হোসেনের বিরুদ্ধে আরেকটি গুরুতর অভিযোগ হচ্ছে—বাংলাদেশ থেকে অবৈধ অর্থ বিদেশে নেওয়ার ক্ষেত্রে নেপাল-ভিত্তিক চ্যানেল ব্যবহারে সহায়তা করার অভিযোগ। এ ক্ষেত্রেও অনুমান নয়, আর্থিক অনুসন্ধান প্রয়োজন। টাকা কোথা থেকে এসেছে → নেপালে কীভাবে গেছে → কার কাছে গেছে → সেখান থেকে কোন দেশে গেছে → চূড়ান্ত সুবিধাভোগী কে? আইন অনুযায়ী প্রাসঙ্গিক ব্যাংকিং ও আর্থিক রেকর্ড পাওয়া গেলে এই money trail অনেক অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণ করতে পারে। ঘুষের টাকা ফেরত চাইতে গিয়ে ব্যবসা ধ্বংসের হুমকি? অভিযোগকারীদের দাবি, কথিত ঘুষের অর্থ ফেরত চাওয়ার পর Honeymoon Group-এর ব্যবসা ক্ষতিগ্রস্ত করার হুমকি দেওয়া হয়। এরপর প্রতিষ্ঠানটির কিছু কর্মচারীর সঙ্গে যোগাযোগ করে ব্যবসার গোপন নথি ও গ্রাহকসংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহের অভিযোগ করা হয়েছে। আরও অভিযোগ রয়েছে, ভিসাপ্রাপ্ত কিছু গ্রাহকের ভারতে গিয়ে ভিসা স্টিকার সংগ্রহের প্রক্রিয়ায় বাধা সৃষ্টি করা হয়েছিল।এগুলো তদন্তের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হওয়া উচিত— কে কার সঙ্গে যোগাযোগ করেছে, কোন তথ্য নেওয়া হয়েছে, তথ্য কোথায় পাঠানো হয়েছে এবং সেই তথ্য ব্যবহার করে কোনো সরকারি/প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত প্রভাবিত করা হয়েছিল কি না। একটি প্রতিষ্ঠানের ২০ বছরের সুনাম নষ্ট হলে দায় কার? অভিযোগকারীদের দাবি, প্রায় দুই দশক ধরে গড়ে ওঠা একটি প্রতিষ্ঠানের ব্যবসা, গ্রাহক এবং সুনাম ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্ষতির পরিমাণ ২০–২৫ কোটি টাকা পর্যন্ত বলে দাবি করা হচ্ছে এবং সংশ্লিষ্ট কিছু পরিবার প্রায় ৫ কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। এবার সম্পদের হিসাব চাই যদি একজন সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ঘুষ ও অর্থপাচারের মতো গুরুতর অভিযোগের পক্ষে প্রাথমিক বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায়, তাহলে প্রশ্ন উঠবে— তার বৈধ আয় কত?দেশে সম্পদ কত? বিদেশে সম্পদ বা আর্থিক স্বার্থ আছে কি? সম্পদ অর্জনের অর্থের উৎস কী? আয়ের সঙ্গে সম্পদের সামঞ্জস্য আছে কি? অভিযোগকারীরা তার পরিবারের বিদেশে শিক্ষা ব্যয়ের প্রসঙ্গও তুলেছেন। সবচেয়ে বড় প্রশ্ন—রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থার জবাবদিহিতা এই অভিযোগগুলোর গুরুত্ব আরও বেড়ে যায় কারণ সৈয়দ হোসেন বর্তমানে বিদেশে বাংলাদেশের একটি সরকারি মিশনে কনস্যুলার দায়িত্বে রয়েছেন—এটি বাংলাদেশ দূতাবাসের সরকারি ওয়েবসাইটেই নিশ্চিত করা যায়। এ ধরনের দায়িত্বে থাকা কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ঘুষ, মানবপাচারে সহায়তা, অর্থপাচার বা ক্ষমতার অপব্যবহারের বিশ্বাসযোগ্য অভিযোগ উঠলে অভ্যন্তরীণ তদন্তই যথেষ্ট কি না, নাকি স্বাধীন তদন্ত প্রয়োজন—সেটিও গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠানের প্রতি জনগণের আস্থা রক্ষার সবচেয়ে কার্যকর উপায় অভিযোগ গোপন করা নয়—বিশ্বাসযোগ্য অভিযোগের স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও প্রমাণভিত্তিক নিষ্পত্তি। ৮ জুলাই প্রত্যাহার/বদলির নোটিশ—তবুও এখনো নেপালে সৈয়দ হোসেন Ghushkhor.com-এর কাছে থাকা নথি অনুযায়ী, ৮ জুলাই ২০২৬ সৈয়দ হোসেনকে নেপালে বাংলাদেশ দূতাবাসের দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার/বদলি করে ঢাকায় ফেরার নির্দেশ দেওয়া হয়। তবে নোটিশ জারির প্রায় দুই মাস পরও তিনি নেপালে অবস্থান করছেন বলে Ghushkhor.com-এর কাছে তথ্য রয়েছে। বর্তমান তথ্য অনুযায়ী, সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর শেষ দিকে তার ঢাকায় ফেরার কথা রয়েছে। এ কারণে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন সামনে আসে— ৮ জুলাই প্রত্যাহারের নির্দেশ দেওয়ার পরও কেন তিনি এতদিন নেপালে অবস্থান করছেন? প্রত্যাহারের কার্যকর তারিখ কী? তাকে দায়িত্ব হস্তান্তরের জন্য কোনো নির্দিষ্ট সময় দেওয়া হয়েছিল কি? এই সময়ের মধ্যে তিনি কনস্যুলার বা অন্য কোনো সরকারি দায়িত্ব পালন করছেন কি না? দেশে ফেরার পর পূর্ণাঙ্গ তদন্ত ও জবাবদিহিতা চাই Ghushkhor.com প্রত্যাশা করে, ঢাকায় ফেরার পর তার বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগ এবং ইতোমধ্যে প্রকাশিত বলে জানানো ভিডিও, CCTV ফুটেজ, বক্তব্য, নথিপত্র ও আর্থিক তথ্য যথাযথ কর্তৃপক্ষ পরীক্ষা করবে। অভিযোগের কোনো অংশ প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী দায় নির্ধারণ করতে হবে। ঘুষের অর্থ প্রমাণিত হলে তা উদ্ধারের ব্যবস্থা, ক্ষতির আইনগত দায় প্রতিষ্ঠিত হলে ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা এবং কোনো ফৌজদারি অপরাধ প্রমাণিত হলে যথাযথ বিচারিক ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। ৮ জুলাই নোটিশ—সেপ্টেম্বরের শেষেও কেন ফেরার অপেক্ষা? প্রত্যাহারই শেষ নয়—তদন্তের ফলাফল চাই। ঘুষ প্রমাণিত হলে অর্থ উদ্ধার চাই। ক্ষতির দায় প্রমাণিত হলে ক্ষতিপূরণ চাই। অপরাধ প্রমাণিত হলে বিচার চাই। “NSI তাকে ঘুষের প্রমাণ পাওয়ার কারণে recall করেছে” Ghushkhor.com-এর চূড়ান্ত দাবি Ghushkhor.com কাউকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অভিযোগের ভিত্তিতে অপরাধী ঘোষণা করার পরিবর্তে প্রমাণ সংরক্ষণ ও রাষ্ট্রীয় তদন্তের দাবি জানায়। প্রকাশিত ভিডিও ও CCTV ফুটেজের মূল কপি সংগ্রহ করে ফরেনসিক পরীক্ষা হোক। কথিত ঘুষের অর্থের উৎস ও গন্তব্য অনুসন্ধান হোক। বাংলাদেশ–নেপাল–চীন রুটে মানবপাচারের অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট কনস্যুলার ও ইমিগ্রেশন রেকর্ড পরীক্ষা হোক। অর্থপাচারের অভিযোগের money trail অনুসন্ধান হোক। ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের তথ্য সংগ্রহ ও ক্ষতিসাধনের অভিযোগ ডিজিটাল প্রমাণ দিয়ে যাচাই হোক। বৈধ আয় ও সম্পদের মধ্যে অসামঞ্জস্য পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী সম্পদের উৎস তদন্ত হোক। অপরাধ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ চাকরিসংক্রান্ত শাস্তিমূলক ব্যবস্থা, ফৌজদারি ব্যবস্থা এবং অবৈধ সম্পদ উদ্ধারের জন্য প্রযোজ্য আইনগত পদক্ষেপ নিক। ভিডিও প্রকাশ হয়েছে—এখন তদন্ত চাই। CCTV আছে—ফরেনসিক পরীক্ষা চাই। ঘুষের অভিযোগ আছে—টাকার পথের হিসাব চাই। নারী পাচারের অভিযোগ আছে—পুরো নেটওয়ার্কের তদন্ত চাই। অর্থপাচারের অভিযোগ আছে—দেশ থেকে বিদেশ পর্যন্ত money trail চাই। প্রমাণ চাপা নয়—সংরক্ষণ করুন। অভিযোগ উপেক্ষা নয়—তদন্ত করুন। ক্ষমতা দিয়ে হুমকি নয়—জবাবদিহিতা নিশ্চিত করুন। রাষ্ট্রের কর্মকর্তা হলে জবাবদিহিতা কম নয়—আরও বেশি হওয়া উচিত। Ghushkhor.com-এর কাছে/প্রকাশিত উপকরণে উত্থাপিত ঘুষ, মানবপাচার, অর্থপাচার, হুমকি, তথ্য সংগ্রহ এবং ব্যবসায়িক ক্ষতিসংক্রান্ত দাবিগুলো অভিযোগ হিসেবে বিবেচিত হবে।

৳৩ লক্ষ Sep 16, 2026
#446967
✓ Verified ❌ Not Refunded

Bangladesh Railway

জেলা: Dhaka

দ্বিতীয় শ্রেণির কর্মচারী, বিলাসবহুল ল্যান্ডক্রুজারে অফিস! রেলের লুৎফা বেগমের সম্পদ ও প্রভাব নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন ২৩ বছর একই দপ্তরে চাকরি; নিয়োগ-বদলি-পেনশন ফাইলে প্রভাবের অভিযোগ—চাকরিজীবনে প্রায় ১০০ কোটি টাকার ঘুষ গ্রহণের অভিযোগও তদন্তের দাবি Ghushkhor.com অনুসন্ধান বাংলাদেশ রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের প্রধান সংস্থাপন কর্মকর্তার (সিপিও) কার্যালয়ের একজন দ্বিতীয় শ্রেণির কর্মচারী। অথচ অফিসে যাতায়াত করেন তিন হাজার সিসির বিলাসবহুল টয়োটা ল্যান্ডক্রুজার ডাবল কেবিন পিকআপে—এমন তথ্য সামনে আসার পর রেলওয়ের কর্মচারী লুৎফা বেগমের আয়, সম্পদ, দীর্ঘদিনের প্রভাব এবং সরকারি সুযোগ-সুবিধা ব্যবহারের বৈধতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। রেলওয়ের নথির বরাতে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০০৪ সালে সিপিও (পূর্ব) কার্যালয়ে যোগদানের পর ২০২৬ সাল পর্যন্ত প্রায় ২৩ বছর একই দপ্তরে কর্মরত রয়েছেন তিনি। একই দপ্তরে এত দীর্ঘ সময় অবস্থান কীভাবে সম্ভব হলো—এ প্রশ্ন এখন রেলওয়ের ভেতরেই উঠছে। 🔥 ২৩ বছর একই দপ্তরে—কীভাবে তৈরি হলো এত প্রভাব? অভিযোগ রয়েছে, দীর্ঘদিন একই কার্যালয়ে থাকার সুযোগে লুৎফা বেগম সেখানে একটি শক্তিশালী প্রভাববলয় তৈরি করেছেন। বদলি, নিয়োগ, পেনশন, সাময়িক বরখাস্তসংক্রান্ত ফাইল, মুক্তিযোদ্ধা কোটা এবং টিএলআর নিয়োগসহ বিভিন্ন প্রশাসনিক প্রক্রিয়ায় তার প্রভাব থাকার অভিযোগ রয়েছে। এই অভিযোগগুলো সত্য হলে প্রশ্ন ওঠে—একজন দ্বিতীয় শ্রেণির কর্মচারীর হাতে এত প্রশাসনিক প্রভাব কীভাবে তৈরি হলো? কারা তাকে এই ক্ষমতা প্রয়োগের সুযোগ দিয়েছেন? কোন কোন ফাইল তার মাধ্যমে পরিচালিত হয়েছে? কোনো সিদ্ধান্তের বিনিময়ে অর্থ বা অন্য সুবিধা নেওয়া হয়েছে কি না? এই প্রশ্নগুলোর উত্তর বের করতে গত ২৩ বছরের গুরুত্বপূর্ণ ফাইল ও সিদ্ধান্তের একটি স্বাধীন অডিট প্রয়োজন। 💰 চাকরিজীবনে ‘প্রায় ১০০ কোটি টাকার ঘুষ’—গুরুতর অভিযোগ, প্রমাণ চাই লুৎফা বেগমকে ঘিরে আরও গুরুতর অভিযোগ হিসেবে দাবি করা হচ্ছে, দীর্ঘ চাকরিজীবনে নিয়োগ, বদলি, পেনশন ও অন্যান্য প্রশাসনিক কার্যক্রমকে কেন্দ্র করে কথিত ঘুষের পরিমাণ প্রায় ১০০ কোটি টাকা পর্যন্ত হতে পারে। এটি অত্যন্ত বড় অভিযোগ। Ghushkhor.com এই ১০০ কোটি টাকার অঙ্ককে প্রমাণিত তথ্য হিসেবে উপস্থাপন করছে না। বরং এই দাবির পক্ষে সুনির্দিষ্ট প্রমাণ থাকলে তা তদন্তের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছে। ১০০ কোটি টাকার অভিযোগ হলে—১০০ কোটি টাকার হিসাবও খুঁজতে হবে। কে টাকা দিয়েছেন? কখন দিয়েছেন? কোন কাজের জন্য দিয়েছেন? কোন কর্মকর্তা বা মধ্যস্থতাকারীর মাধ্যমে দিয়েছেন? নগদ নাকি ব্যাংক/ডিজিটাল মাধ্যমে? এই অর্থের কোনো অংশ দিয়ে সম্পদ অর্জিত হয়েছে কি না? এসব প্রশ্নের উত্তর —প্রমাণ, নথি ও আর্থিক অনুসন্ধানের মাধ্যমে বের করতে হবে। 🏠 বেতনের সঙ্গে সম্পদের সামঞ্জস্য আছে কি? তথ্য অনুযায়ী, লুৎফা বেগম ও তার পরিবারের নামে একাধিক সম্পত্তি থাকার অভিযোগ রয়েছে। এর মধ্যে চট্টগ্রামের হালিশহরের কৃষ্ণচূড়া অ্যাপার্টমেন্টে দুটি ফ্ল্যাট, নালাপাড়াসহ চট্টগ্রামের বিভিন্ন স্থানে সম্পত্তি, ঢাকায় বাড়ি এবং গ্রামের বাড়িতে উল্লেখযোগ্য সম্পদের কথা বলা হচ্ছে। এই সম্পদগুলোর মালিকানা ও মূল্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা প্রয়োজন। প্রশ্ন খুব সরল: বৈধ চাকরির আয় কত? মোট ঘোষিত সম্পদ কত? সম্পদ কেনার অর্থের উৎস কী? আয় ও সম্পদের মধ্যে সামঞ্জস্য আছে কি? বৈধ আয়ে অর্জিত সম্পদ নিয়ে প্রশ্ন থাকার কথা নয়। কিন্তু যদি তদন্তে বৈধ আয়ের সঙ্গে সম্পদের বড় ধরনের অসঙ্গতি পাওয়া যায়, তাহলে সেই সম্পদের অর্থের উৎস অনুসন্ধান করা প্রয়োজন। 🚙 দ্বিতীয় শ্রেণির কর্মচারীর যাতায়াতে সরকারি ল্যান্ডক্রুজার কেন? আলোচনার আরেকটি বড় বিষয় টয়োটা ল্যান্ডক্রুজার পিকআপ (ঢাকা মেট্রো-ঠ-১১-৩৫৪৪)। তথ্যানুযায়ী, বিআরটিএ রেকর্ডে গাড়িটির মালিক হিসেবে ঢাকা সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলীর কার্যালয়ের তথ্য রয়েছে। লুৎফা বেগমের স্বামী রফিকুল ইসলাম সওজে কর্মরত এবং তিনি গণমাধ্যমে দাবি করেছেন, গাড়িটি তার নামে বরাদ্দ; অফিসের কাজ শেষে সুযোগ থাকলে স্ত্রীকে আনা-নেওয়ায় ব্যবহার করেন। অন্যদিকে সংশ্লিষ্ট সওজ কর্মকর্তার বক্তব্য অনুযায়ী, এ ধরনের গাড়ি ব্যবহারের ক্ষেত্রে পদ ও পুল-ব্যবস্থার নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে।ফলে প্রশ্ন থেকেই যায়— এক সরকারি দপ্তরের গাড়ি অন্য দপ্তরের একজন কর্মচারীর ব্যক্তিগত অফিস যাতায়াতে ব্যবহার করা নিয়মসঙ্গত কি না? এটি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নথি ও গাড়ির লগবুক পরীক্ষা করলেই অনেকাংশে পরিষ্কার করা সম্ভব। শুধু লুৎফা নয়—পুরো নেটওয়ার্ক খুঁজুন ২৩ বছর ধরে একই জায়গায় থেকে যদি কেউ নিয়োগ, বদলি, পেনশন বা গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক ফাইলে অবৈধ প্রভাব বিস্তার করে থাকেন, তাহলে তিনি একা কীভাবে সেটি করেছেন—এই প্রশ্নও গুরুত্বপূর্ণ। তাই সম্ভাব্য তদন্তে শুধু একজন কর্মচারী নয়, তার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, মধ্যস্থতাকারী এবং সম্ভাব্য আর্থিক সুবিধাভোগীদের ভূমিকাও প্রমাণের ভিত্তিতে পরীক্ষা করা প্রয়োজন। 🔎 Ghushkhor.com-এর দাবি—২৩ বছরের সম্পদ ও অর্থের পথ অনুসন্ধান হোক দুর্নীতি দমন কমিশনসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আইন অনুযায়ী তদন্ত করলে গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে— বৈধ আয় বনাম অর্জিত সম্পদ → সম্পত্তির ক্রয়মূল্য ও অর্থের উৎস → গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক ফাইল → সরকারি গাড়ির লগবুক ও বরাদ্দ → অভিযোগে উল্লিখিত লেনদেন → সম্ভাব্য মধ্যস্থতাকারী → প্রমাণিত হলে অবৈধ সম্পদের প্রকৃত সুবিধাভোগী। কোনো সম্পদ কেবল পরিবারের সদস্যের নামে থাকার কারণে সেটিকে অবৈধ বলা যায় না। মালিকানা, অর্থের উৎস এবং প্রকৃত সুবিধাভোগিতা প্রমাণের বিষয়। রেলের ঘুষের প্রমাণ আপনার কাছে আছে? লুৎফা বেগম বা সংশ্লিষ্ট কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে নিয়োগ, বদলি, পেনশন, ফাইল ছাড়, পদোন্নতি বা অন্য কোনো কাজে ঘুষ দাবির প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা থাকলে অভিযোগের সঙ্গে প্রমাণ সংরক্ষণ করুন। তারিখ • ফাইল নম্বর • কী কাজ • কত টাকা দাবি • কে দাবি করেছে • কার মাধ্যমে টাকা গেছে • আইনসম্মতভাবে সংরক্ষিত নথি/বার্তা/লেনদেনের তথ্য 🔴 ২৩ বছরের চাকরি—২৩ বছরের হিসাব চাই। ১০০ কোটি টাকার ঘুষের অভিযোগ? প্রমাণ সামনে আসুক। সম্পদের উৎস কী? তদন্ত হোক। সরকারি গাড়ি কেন ব্যক্তিগত যাতায়াতে? হিসাব হোক। ঘুষের টাকা থাকলে কোথায় গেছে? অর্থের পথ অনুসন্ধান হোক। ঘুষখোর কে—সেটা স্লোগান নয়, প্রমাণ নির্ধারণ করুক। দুর্নীতি প্রমাণিত হলে অবৈধ সম্পদ উদ্ধার ও আইনানুগ শাস্তি হোক। এখানে উল্লিখিত ঘুষ, ১০০ কোটি টাকার অঙ্ক, সম্পদ ও প্রভাবসংক্রান্ত বিষয়গুলো অভিযোগ হিসেবে উপস্থাপিত। উপযুক্ত তদন্ত বা বিচারিক প্রক্রিয়ায় প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে দোষী হিসেবে চূড়ান্তভাবে উপস্থাপন করা উচিত নয়। তার পূর্ণ বক্তব্য, সম্পদের বৈধ উৎসের নথি বা তদন্তকারী কর্তৃপক্ষের ফলাফল পাওয়া গেলে প্রতিবেদনে তা যথাযথভাবে অন্তর্ভুক্ত করা উচিত।

৳১০ কোটি Sep 16, 2026
#464700
✓ Verified ❌ Not Refunded

Anti-Corruption Commission (ACC)

জেলা: Chattogram (Chittagong)

চট্টগ্রামে ঘুষের টাকাসহ কাস্টমস কর্মকর্তা আটকের অভিযোগ—দুদকের অভিযানে চাঞ্চল্য! 💰 সরকারি সেবার আড়ালে ঘুষের লেনদেনের অভিযোগ; নগদ অর্থসহ দুই ব্যক্তিকে আটকের দাবি Ghushkhor.com | দুর্নীতি পর্যবেক্ষণ চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) অভিযানে ঘুষের নগদ অর্থসহ কাস্টমস-সংশ্লিষ্ট দুই ব্যক্তিকে আটকের ঘটনা সামনে এসেছে বলে দাবি করা হয়েছে। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, আটক ব্যক্তিদের একজনকে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা রাজীব রায় এবং অপরজনকে তার সহযোগী মো. ছারওয়ার উদ্দিন হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে দুদকের এনফোর্সমেন্ট টিম অভিযান পরিচালনা করে। কথিত ঘুষের লেনদেন চলাকালে অভিযান চালিয়ে নগদ অর্থ জব্দ এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের আটক করা হয় বলে দাবি করা হয়েছে।

৳২.৫ লক্ষ Sep 16, 2026
#605030
✓ Verified ❌ Not Refunded

Dhaka/Chattogram/Rajshahi/Khulna City Corporations & Municipalities

জেলা: Chattogram (Chittagong)

বছরে ২৫০ কোটি টাকার ঘুষের অভিযোগ—সব অবৈধ সম্পদের উৎস খুঁজে বের করার দাবি। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী মো. আনিছুর রহমানকে ঘিরে অভিযোগ আরও ভয়াবহ। অভিযোগকারীদের দাবি, বিভিন্ন প্রকল্প, ঠিকাদারি কাজ, ফাইল অনুমোদন ও বিল ছাড়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কথিত ঘুষের লেনদেনের পরিমাণ বছরে প্রায় ২৫০ কোটি টাকা পর্যন্ত হতে পারে। এই বিপুল অঙ্কের অভিযোগ সত্য কি না, তা নির্ধারণে প্রয়োজন স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও পূর্ণাঙ্গ তদন্ত। শুধু ঘুষের অভিযোগ নয়—সম্পদের উৎসও তদন্ত হোক। যদি বছরে শতকোটি টাকার ঘুষের অভিযোগ ওঠে, তাহলে শুধু কোন ফাইলে কত টাকা চাওয়া হয়েছে সেটি তদন্ত করলেই যথেষ্ট নয়। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বৈধ আয়, স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ, জমি-ফ্ল্যাট, ব্যবসায়িক স্বার্থ, ব্যাংক ও আর্থিক লেনদেন এবং আইন অনুযায়ী তদন্তযোগ্য অন্যান্য সম্পদের উৎস পরীক্ষা করে দেখা প্রয়োজন। একই সঙ্গে তদন্তে আইনসম্মতভাবে যাচাই করা প্রয়োজন—ঘোষিত ও বৈধ আয়ের সঙ্গে অর্জিত সম্পদের সামঞ্জস্য রয়েছে কি না এবং কোনো সম্পদ দুর্নীতির অর্থে অর্জিত হয়েছে কি না। 💰 ঘুষের টাকা কোথায় গেছে—এত বিপুল অর্থ কোথায় গেল? ঘুষের অর্থ কি নগদে রাখা হয়েছে? কোনো সম্পদ কেনায় ব্যবহৃত হয়েছে? অন্য কারও মাধ্যমে পরিচালিত হয়েছে? নাকি কোনো বৃহত্তর চক্র এর সুবিধাভোগী? এসব প্রশ্নের উত্তর অনুমান বা জনরোষ দিয়ে নয়—নথি, আর্থিক প্রমাণ এবং আইনসম্মত তদন্তের মাধ্যমে বের করতে হবে। ২৫০ কোটি টাকার অভিযোগ হলে ২৫০ কোটি টাকারই হিসাব চাই। ঘুষের উৎস খুঁজুন • অর্থের গতিপথ অনুসন্ধান করুন • অবৈধ সম্পদ প্রমাণিত হলে আইনানুগ ব্যবস্থা নিন • জনগণের অর্থ জনগণের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করুন। Ghushkhor.com-এর অবস্থান: কাউকে অভিযোগের ভিত্তিতে দোষী ঘোষণা নয়। কিন্তু গুরুতর ও সুনির্দিষ্ট দুর্নীতির অভিযোগ থাকলে তা ধামাচাপা নয়—প্রমাণভিত্তিক তদন্ত, সম্পদের উৎস যাচাই এবং প্রমাণিত দুর্নীতির পূর্ণ জবাবদিহিতা চাই।

৳২৫ কোটি Sep 16, 2026

Stay Updated on Systemic Speed Money Demands

Join our civic-tech network. Receive quiet, occasional digests when newly verified speed money bottlenecks are mapped and verified.

জেলা-ভিত্তিক স্পিড মানি হিটম্যাপ

Interactive GIS Map of Bangladesh. Hover over any district to inspect reported volume and speed money demands.

Total Cases: 0

দাবিকৃত স্পিড মানি: 0

Speed Money by Division

Distribution of reported speed money volumes grouped by administrative divisions.

Demands by Department

Cumulative speed money demands grouped by specific administrative sectors.

কার্যপ্রক্রিয়া

স্বচ্ছতার কৌশল।

Our platform operates strictly on structured, zero-footprint data to map systemic trends while shielding individual contributors.

01

ঘটনাটি ম্যাপ করুন

অঞ্চল, মন্ত্রণালয় এবং স্পিড মানির দাবির মতো প্যারামিটার ইনপুট করে পরিচয় প্রকাশ না করে লেনদেনের বিবরণ লগ করুন। কোনো ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট রেকর্ড করা হয় না এবং ব্যক্তিগত নাম কঠোরভাবে বাদ দেওয়া হয়।

02

সততা যাচাইকরণ

প্রতিটি জমা আমাদের অ-দলীয় যাচাইকরণ এবং মডারেশন চক্রের মধ্য দিয়ে যায় যাতে পাবলিক ইনডেক্সে প্রবেশের আগে স্প্যাম, ডুপ্লিকেট বা ক্ষতিকারক ব্যক্তিগত আক্রমণ বাদ দেওয়া যায়।

03

প্রবণতা উন্মোচন করুন

অনুমোদিত এন্ট্রিগুলি লাইভ বিশ্লেষণাত্মক ডেটাসেট গঠন করে, যা প্রাতিষ্ঠানিক বাধা, প্রশাসনিক স্পিড মানি হটস্পট এবং সেক্টর প্রবণতাগুলিকে সুশীল সমাজের কাছে সম্পূর্ণরূপে দৃশ্যমান করে তোলে।

Historical Perspectives

Voices on Transparency

"homepage_quote_text"

— Raju Ahmed Dipu, LL.M. (UK)

Aggregated submissions help illustrate structural bottlenecks. This is an awareness directory, not a legal complaint filing authority.

Take Action

Exposure dismantles systemic speed money.

A secure, 90-second report contribution can unlock public insights and drive structural change. No identity required.

সাপোর্ট ডেস্ক

Need assistance? We're here.

Have questions about your passcode, proof uploads, or require legal guidance? Access our secure, fully anonymous helpdesk with zero footprint.

Create Support File

Submit an anonymous support ticket. Generate a secure access passcode to read reply logs later.

টিকিটের স্থিতি ট্র্যাক করুন

Input your 6-digit Ticket ID and secure passcode to read the administrator's reply.